কলারোয়া থানার ওসি’র সাড়াসি অভিযানে আইনশৃঙখলা উন্নতি’ জামায়াত-শিবির শুন্য এলাকা

জুলফিকার আলী,কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ কলারোয়ায় থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ আহম্মেদ যোগদানের পর থেকে এলাকায় আইনশৃঙখলা উন্নতি হয়েছে। এলাকায় চোরাচালান একেবারে নেই বললে চলে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও জামায়াত-শিবির এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তিনি এত অল্প সময়ের মধ্যে কলারোয়া উপজেলা পৌর সদর সহ ১২টি ইউনিয়ন নিয়ন্ত্রনে নিয়েছেন। একই সাথে এলকায় মাদক ব্যবসা আগের তুলনায় অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। এলাকায় কোন নিরহ মানুষ যাতে হয়রানী শিকার না হয় তার জন্য বিশেষ ভুমিকা রেখেছেন তিনি। ভুল তথ্যের ভিক্তিতে কোন নিরহ মানুষ ধরা পড়লে তিনি তদন্ত করে তা স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে সমাধান করছেন। এলাকায় কোন মানুষ পুলিশকে ভুল তথ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানী করার চেষ্টা করছে এমন তথ্যে পাওয়া গেলে তিনি সাথে সাথে তার ব্যবস্থা নিচ্ছেন। একজন মানুষের মধ্যে সততা আর্দশ্য ও ন্যায় নিষ্ঠা মেধা থাকলে সেই ব্যক্তি সমাজের মানুষের সেবায় কর্মকান্ডে ব্যাপক অবদান রাখতে পারেন। সে যে পেশায় থাকেন না কেন যদি তার সততা মেধা বুদ্ধি দক্ষতাকে মানব সেবায় নিয়োজিত রাখেন। তাহলে সহজেই সুনাম ও প্রতিষ্ঠা পাওয়া সম্ভাব। কলারোয়া থানর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ আহম্মেদ এর সততা ও কর্মদক্ষতা দেখে কলারোয়া পৌর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জুলফিকার আলী তার জীবণের নানা বিষয় নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন তৈরী করেছেন। ওসি মারুফ আহম্মেদ তার মেধা বুদ্ধি প্রজ্ঞা প্রভৃতিকে কাজে লাগিয়ে দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। তার কর্মতৎপরতা ইতিমধ্যে পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ হিসাবে তিনি জটিল অপারেশন গুলি নিজেই দায়িত্ব নিয়ে দক্ষতার সাথে পালন করেছেন। কলারোয়া থানায় তিনি দায়িত্ব থাকায় তার কর্মদক্ষতার কারনে কোন রকম শ্রমিক বা জনতা অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারেনী। সময় মতো তার নির্দেশে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত থেকে ষড়যন্ত্র কারীদের চিহিৃত করে দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়েছেন। অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে তার মেধা ও বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে কলারোয় উপজেলার সীমান্ত এলাকায় অপরাধ প্রবণতা বন্ধের ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছেন। যার ফলে থানায় অপরাধ ও মামলার সংখ্যা পূর্বের তুলনায় অর্ধেক হয়ে এসেছে। তার মতো দক্ষ মেধা পুরিপূর্ণ পুলিশ অফিসার থানায় থাকলে ঐ থানা এলাকায় অপরাধ বন্ধ হবে বলে এলাকাবাসী মানে করেন। মারুফ আহম্মেদ অফিসার ইনচার্জ হিসাবে অল্পদিনের মধ্যে কলারোয়া থানা এলাকায় জনগণের ব্যাপক প্রশাংসা অর্জন করেছেন। ভবিষৎতে আরও অর্জন হোক এটায় কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *