বিধ্বস্ত বিমানের দেহাংশের খোঁজ পাওয়ার দাবি ইন্দোনেশিয়ার

ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান হাদি জাহজান্তো মনে করেন একটি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল সাগরে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া লায়ন এয়ার বিমানের দেহাংশের খোঁজ পেয়েছেন। বুধবার দেশটির একটি টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ানকে তিনি বলেন, আমাদের মনে হচ্ছে- জেটি৬১০ বিমানের একটি দেহাংশের খোঁজ আমরা পেয়েছি।

উদ্ধারকারী দল দেহাংশের অবস্থান শনাক্ত করতে পেরেছেন বলে মনে হয়েছে। তবে নিশ্চিত করতে হবে। বিমানের ব্লাকবক্স উদ্ধারে ইন্দোনেশিয়া পিংগার লোকেটরস নামে একটি শনাক্তকারী যন্ত্র বসিয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা প্যানেলের উপপ্রধান হেয়ারো সাটমিকো বলেন, গতকাল বিকালে উদ্ধারকারী ৩৫ কিলোমিটার দূর থেকে একটি তীক্ষ্ণ চিৎকার শুনতে পেয়েছেন। আজ সকালে তারা সেখানে গেছে।

কী কারণে প্রায় নতুন এ বিমানটি বিধ্বস্ত হল, ব্লাকবক্স পেলে সে সম্বন্ধে ধারণা করা যাবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে মঙ্গলবার থেকে জোর তল্লাশি ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সাগরের যে এলাকায় উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে পানির নিচে ৩০-৩৫ মিটার গভীরে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন ডুবুরিরা। উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ খুঁজতে ড্রোনের সঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে সোনার প্রযুক্তিও।

সোমবার ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ওড়ার ১৩ মিনিটের মাথায় লায়ন এয়ারের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ ফ্লাইটটির সঙ্গে গ্রাউন্ড স্টাফদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ২০ মিনিটে ওড়া বিমানটির এক ঘণ্টার মধ্যে পাংকাল পিনাং শহরে পৌঁছানোর কথা ছিল।

১৮৯ যাত্রী নিয়ে উড়োজাহাজটি জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয় বলে পরে নিশ্চিত হয় কর্তৃপক্ষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *