কপোতাক্ষ’র ক্রসড্যাম বাঁধ এবারও বিলম্বিত ! ৬৪ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা।

এসকে রায়হান, তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ নানা অনিয়ম -দুর্নীতির কারণে সরকারের ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকার কপোতাক্ষ খনন প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে। প্রতিবছর শেষ মুহুর্তে যখন বাঁধ অপসারেণের সময় চলে আসে ঠিক তখনই চলে ক্রসড্যাম বাধের আয়োজন। আর এ আয়োজনে বলির পাঠা হয় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতিতে এবারও সরকারের ৬৪ লাখ ২৬ হাজার ৬২ টাকার কাজে ঠিকাদারের প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ব্যায়ের বাঁধ ছুটে গেছে পানির তোড়ে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তার অবৈধ হস্তক্ষেপ, ব্যয়বহুল নির্দেশনা ও অসহযোগীতার কারণেই মূলত বাঁধটি ছুটে গেছে। এছাড়া নানা অজুহতে ও হুমকী-ধামকী দিয়ে ঠিকাদারের লোকজনকে সরিয়ে দিয়ে তাদের রেখে যাওয়া কয়েক লক্ষ টাকার উপকরণ ব্যবহার করে পানি উন্নয়ন বোর্ড নিজস্ব কায়দায় আবারও বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে প্রকল্পিত সমুদয় টাকা আতœস্বাতের পায়তারা করছে বলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, কপোতাক্ষকে বাঁচতে সরকার ২০১১ সালে ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকা ব্যয় সাপেক্ষে “কপোতাক্ষ নদ’র জলাবদ্ধতা দূরীকরণে খনন প্রকল্প (১ম পর্যায়)” গ্রহন করে। পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীনে এই প্রকল্পটির মূল কাজ তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে জোয়ারাধারা (বিলের মধ্যে জোয়ার ভাটার ব্যবস্থা) বাস্তবায়ন এবং ৯০ কিঃমিঃ কপোতাক্ষ নদ খনন। ৪ বছর মেয়াদি প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাল ধরা হয় ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত। কিন্তু নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও আইনি জটিলতায় মেয়াদ শেষ হওয়ার দু’বছর পরে গোজামিলের মধ্য দিয়ে খনন কাজ সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীর্তে নতুন করে ৬ কোটি ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রতিরক্ষা বাঁেধও চলে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি।
জানা যায়, তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের পাখিমারা বিলে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ শত ৬৬ একর জমিতে টি.আর.এম প্রকল্প বাস্তবায়ন এ লিংক চ্যানেল খনন সহ জমি অধিগ্রহন ও বাধ নির্মনে ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে যেনতেনভাবে শেষ করা হয় টিআরএম প্রকল্প। যে কারণে দুদকের তদন্তে দুর্নীতির সত্যতা পাওয়ায় পৃথক দুটি মামলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কয়েক কর্মকর্তা, ঠিকাদার সহ ৮ জনের নামে মামলা করে দুদক। চলতি বছর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক তালা উপজেলার পাখিমারা টিআরএম এর উজানমুখে অস্থায়ীভাবে ক্রসড্যাম (ক্লোজার) স্থাপনে ৬৪ লাখ ২৬ হাজার ৬২ টাকা ব্যায় ধরা হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, ক্লোজার নির্মাণ কাজটি অনুন্নয় রাজস্ব খাতের আওতায় পাখিমারা টিআরএম বিলের লিংক ক্যানেলের উজানে কপোতাক্ষ নদীতে অস্থায়ীভাবে ক্লোজার নির্মাণ ও অপসারণ কাজ” ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে প্যাকেজ নং ই-টেন্ডার জেএনডিআর ও ওয়ার্ক অর্ডার হয়। ৩৭৭/১, দক্ষিণ গোড়ান, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৯ ঠিকানার মেসার্স মাইশা ট্রেডার্স ৬৪ লাখ ২৬ হাজার ৬২ টাকার কাজটি প্রাপ্ত হন। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু করে ২ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্লোজার সমাপ্ত করা এবং ২৫জুন ১৩৫ দিনের মধ্যে অপসারণসহ কাজ সমাপ্তির নির্দেশনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান (মাইশা এন্টার প্রাইজ)’র ম্যানেজার নাজমুল সাকিব সোহাগ জানান, ক্লোজার বাঁধটি সম্পন্ন করার পর প্রাকৃতিক প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে গত ১ এপ্রিল দুপুরে কপোতাক্ষের প্রবল পানির ¯্রােতে ধসে যায় বাঁধটি। এরপর ৩ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে যশোর পানি উন্নয়ন বোড’র নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর গোষ্মামীর অফিস কক্ষে গেলে আমাদের সঙ্গে অসদাচারণ সহ হুমকী- ধামকী দিয়ে বের করে দেয়। পরবর্তীকে আমাদের কাজটি বাতিল করে দেয়। এবং ক্লোজার স্থলে আমাদের প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মালামাল আটকে রেখে উক্ত মালামাল দিয়ে নিজেরাই আবারও বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অনভিজ্ঞতার কারণে এমনটা ঘটেছে। আমরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজটি বাতিল করে অন্য লোক দ্বারা বাঁধ দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

নানা অনিয়ম -দুর্নীতির কারণে সরকারের ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকার কপোতাক্ষ খনন প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে। প্রতিবছর শেষ মুহুর্তে যখন বাঁধ অপসারেণের সময় চলে আসে ঠিক তখনই চলে ক্রসড্যাম বাধের আয়োজন। আর এ আয়োজনে বলির পাঠা হয় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতিতে এবারও সরকারের ৬৪ লাখ ২৬ হাজার ৬২ টাকার কাজে ঠিকাদারের প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা ব্যায়ের বাঁধ ছুটে গেছে পানির তোড়ে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তার অবৈধ হস্তক্ষেপ, ব্যয়বহুল নির্দেশনা ও অসহযোগীতার কারণেই মূলত বাঁধটি ছুটে গেছে। এছাড়া নানা অজুহতে ও হুমকী-ধামকী দিয়ে ঠিকাদারের লোকজনকে সরিয়ে দিয়ে তাদের রেখে যাওয়া কয়েক লক্ষ টাকার উপকরণ ব্যবহার করে পানি উন্নয়ন বোর্ড নিজস্ব কায়দায় আবারও বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে প্রকল্পিত সমুদয় টাকা আতœস্বাতের পায়তারা করছে বলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অভিযোগ করেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, কপোতাক্ষকে বাঁচতে সরকার ২০১১ সালে ২৬১ কোটি ৫৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকা ব্যয় সাপেক্ষে “কপোতাক্ষ নদ’র জলাবদ্ধতা দূরীকরণে খনন প্রকল্প (১ম পর্যায়)” গ্রহন করে। পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীনে এই প্রকল্পটির মূল কাজ তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে জোয়ারাধারা (বিলের মধ্যে জোয়ার ভাটার ব্যবস্থা) বাস্তবায়ন এবং ৯০ কিঃমিঃ কপোতাক্ষ নদ খনন। ৪ বছর মেয়াদি প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাল ধরা হয় ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত। কিন্তু নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও আইনি জটিলতায় মেয়াদ শেষ হওয়ার দু’বছর পরে গোজামিলের মধ্য দিয়ে খনন কাজ সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তীর্তে নতুন করে ৬ কোটি ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রতিরক্ষা বাঁেধও চলে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি।
জানা যায়, তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের পাখিমারা বিলে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ শত ৬৬ একর জমিতে টি.আর.এম প্রকল্প বাস্তবায়ন এ লিংক চ্যানেল খনন সহ জমি অধিগ্রহন ও বাধ নির্মনে ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে যেনতেনভাবে শেষ করা হয় টিআরএম প্রকল্প। যে কারণে দুদকের তদন্তে দুর্নীতির সত্যতা পাওয়ায় পৃথক দুটি মামলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কয়েক কর্মকর্তা, ঠিকাদার সহ ৮ জনের নামে মামলা করে দুদক। চলতি বছর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক তালা উপজেলার পাখিমারা টিআরএম এর উজানমুখে অস্থায়ীভাবে ক্রসড্যাম (ক্লোজার) স্থাপনে ৬৪ লাখ ২৬ হাজার ৬২ টাকা ব্যায় ধরা হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, ক্লোজার নির্মাণ কাজটি অনুন্নয় রাজস্ব খাতের আওতায় পাখিমারা টিআরএম বিলের লিংক ক্যানেলের উজানে কপোতাক্ষ নদীতে অস্থায়ীভাবে ক্লোজার নির্মাণ ও অপসারণ কাজ” ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে প্যাকেজ নং ই-টেন্ডার জেএনডিআর ও ওয়ার্ক অর্ডার হয়। ৩৭৭/১, দক্ষিণ গোড়ান, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৯ ঠিকানার মেসার্স মাইশা ট্রেডার্স ৬৪ লাখ ২৬ হাজার ৬২ টাকার কাজটি প্রাপ্ত হন। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু করে ২ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ক্লোজার সমাপ্ত করা এবং ২৫জুন ১৩৫ দিনের মধ্যে অপসারণসহ কাজ সমাপ্তির নির্দেশনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান (মাইশা এন্টার প্রাইজ)’র ম্যানেজার নাজমুল সাকিব সোহাগ জানান, ক্লোজার বাঁধটি সম্পন্ন করার পর প্রাকৃতিক প্রতিকুল আবহাওয়ার কারণে গত ১ এপ্রিল দুপুরে কপোতাক্ষের প্রবল পানির ¯্রােতে ধসে যায় বাঁধটি। এরপর ৩ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে যশোর পানি উন্নয়ন বোড’র নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর গোষ্মামীর অফিস কক্ষে গেলে আমাদের সঙ্গে অসদাচারণ সহ হুমকী- ধামকী দিয়ে বের করে দেয়। পরবর্তীকে আমাদের কাজটি বাতিল করে দেয়। এবং ক্লোজার স্থলে আমাদের প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মালামাল আটকে রেখে উক্ত মালামাল দিয়ে নিজেরাই আবারও বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অনভিজ্ঞতার কারণে এমনটা ঘটেছে। আমরা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজটি বাতিল করে অন্য লোক দ্বারা বাঁধ দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *