রোমাঞ্চিত মাশরাফি

পুঁজিটা বেশি ছিল না, মাত্র ২৩৯। এ নিয়ে জিততে হলে বোলিং, ফিল্ডিংয়ে অবর্ণনীয় কিছু করে দেখাতে হতো বাংলাদেশকে। দারুণভাবে সেই চ্যালেঞ্জ উতরে গেছে টাইগাররা। অঘোষিত সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠে গেছে তারা।

দুর্দান্ত এ জয়ে রোমাঞ্চিত বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। বিশেষ করে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্টে শোয়েব মালিকের ক্যাচ ধরতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর বললেন, মাঠের খেলার কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন এনেছিলাম। সাধারণত আমি প্রথমে বল করি। আজ মিরাজকে দিয়ে শুরু করেছিলাম। সেই ফাটকা কাজে লেগেছে। বোলাররা দারুণ করেছে। ব্যাট হাতে বিপর্যয়ের মুখে মুশফিক-মিথুন দুর্দান্ত খেলেছে। ফিল্ডিংটাও অসাধারণ হয়েছে। বলতে পারেন গর্ব করার মতো ফিল্ডিং হয়েছে। কতদিন আমরা এরকম ফিল্ডিং করি না। আমি অভিভূত।

মাত্র ১৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পড়ে পাকিস্তান। সেখান থেকে ইমাম-উল-হককে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠেন শোয়েব মালিক। বাঁহাতি ওপেনারকে নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকেন তিনি। তবে তাতে বাদ সাধেন রুবেল হোসেন। দারুণ এক ডেলিভেরিতে মাশরাফির ক্যাচ বানিয়ে মালিককে (৩০) ফেরান তিনি। অবশ্য এজন্য কৃতিত্ব দিতে হবে বাংলাদেশ অধিনায়ককেই বেশি। কারণ হাফ চান্সকে ফুল চান্সে পরিণত করেন তিনি।

মাশরাফি বলেন, আমি সৌভাগ্যবান ছিলাম। শোয়েব মালিকের ক্যাচটা ছুটেনি। সে দুর্দান্ত ফর্মে ছিল। সর্বোপরি আমাদের ফিল্ডিংটা দারুণ হয়েছে। তবে ব্যাটিং-বোলিংয়ে আমাদের আরো উন্নতি করতে হবে।

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে বাংলাদেশ। তাদের বিপক্ষে ভালো করারও প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন নড়াইল এক্সপ্রেস। ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, আমরা জানি, ভারত খুবই শক্তিশালী দল। সেখানে আমাদের দলে নেই সাকিব-তামিম। তবে আমি আশাবাদী, শুক্রবার রোহিত বাহিনীর বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা প্রদর্শন করবে ছেলেরা।