নলডাঙ্গার মতিয়ার রহমান অটির্ষ্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সাল-২০১৪, দৃশ্যমান-২০১৮, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ-২০১৪ ও ২০১৭ সাল

মোঃ হাবিব ওসমান, ঝিনাইদহ ব্যুরো ঃ
ঝিনাইদহ জেলার বেশ কয়েকটি অটির্ষ্টিক বিদ্যালয় ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে বিভিন্ন এনজিও দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে এই প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠিত সালের সাথে দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠানের কোন মিল নাই। ইতিমধ্যে এই প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করনের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের হত দরিদ্র শিক্ষা বঞ্চিত প্রতিবন্ধিদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালিত হয়ে থাকে।
তেমনি একটি প্রতিষ্ঠান ঝিনাইদহ সদরের নলডাঙ্গা ইউনিয়নের ভিটশ^র গ্রামের মতিয়ার রহমান অটির্ষ্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়। যাহার স্থাপিত সাল ২০১৪ সাল হলেও দৃশ্যমান হয়েছে ২০১৮ সালের জুন মাসে। বিদ্যালয়টিতে ২০ জন শিক্ষক- কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাহার মধ্যে ২০১৪ সালে ১৬ জন এবং ২০১৭ সালে ৪ জন। মোট ৮ জন শিক্ষক ৫ জন শিক্ষীকা ও ৭ জন কর্মচারী নিয়ে বৃহৎ নিয়োগ প্রত্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সমস্ত কাগজপত্র ব্যাকডেটে তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করেছে। স্থাপিত সাল ২০১৪ হলেও প্রতিষ্ঠানটি দেখা মিলেছে ২০১৮ সালে জুনে । ২০ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটির দাতা মতিয়ার রহমান জমি রেজিষ্টিকৃত ভাবে দান করেছে ২০১৮ সালে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা উৎকণ্ঠার মধ্যে দিনযাপন করছে।
সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, ১৪ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে ৭ জন শিক্ষক পাঠদান করছেন। প্রধান শিক্ষক লতাফৎ হোসেন জানান, নিয়োগের জন্য খরচ তো হবেই। এ বিষয়ে আমার সাথে কথা বলে লাভ নাই রান ডেভল্পমেন্টে সোসাইটির সাথে কথা বলুন।
রান ডেভলপমেন্ট সোইটির প্রজেক্ট কো-অডিন্টের মোহাম্মদ আলী বলেন, মন্ত্রালয়কে মেনেচ করে চলতে হয়, সব কিছু ব্যাকডেটে তৈরি করেছি। আপনি তো সবকিছুই বোঝেন।
এলাকাবাসী জানান, আমরা তিন মাস দেখছি এই স্কুলটি এর আগে আমাদের গ্রামে কোথাও ছিল না তবে, সুন্দর নিয়োগ প্রত্রিয়া ও যথাযথ নিয়মের মধ্যে বিদ্যালয়টি পরিচালিত হলে এলাকায় শিক্ষিত বেকার যুবক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে এমনটি আশা করেন।