ঢামেকে সাবেক নেতাকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি রুহুল আমিনকে মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

পরবর্তীতে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

চার সদস্যের এ তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন সংগঠনের সদ্য বিদায়ী সাংগঠনিক সম্পাদক শওকতুজ্জামান সৈকত ও তানজিল ভূঁইয়া তানভীর, সদ্য বিদায়ী সহ-সভাপতি আরেফিন সিদ্দিক সুজন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু সালমান প্রধান শাওন।

২৯ সেপ্টেম্বর গঠিত এই কমিটিকে পরবর্তী দুই কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে রোববার ভূক্তভোগী রুহুল আমিন বলেন, হাসপাতালে ভাবির মায়ের লাশ আনতে গেলে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে যারা আমার উপর হামলা চালিয়েছে আমি তাদের বিচার চাই।

অন্যদিকে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, যারা আমার ৮ মাসের গর্ভবতী ভাবির গায়ে হাত দিয়েছে, তাদের বিচার হতে হবে। সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে প্রয়োজনে আমি আইনি ব্যবস্থায় যাব।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার রুহুল আমিনের ভাবির মা ঢাকা মেডিকেল কলেজে ইন্তেকাল করেন। একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিতের মা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে রুহুলকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে মায়ের লাশ নিতে যান রুহুলের ভাবি।

অন্যদিকে অসুস্থ্য মাকে দেখতে গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন সনজিতের বড় ভাই। এসময় লিফটে ওঠা নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে একপর্যায়ে মারধরের ঘটনায় জড়ান তারা।